IELTS পরীক্ষায়
প্যারাফ্রেজিং (Paraphrasing) বা
শব্দ পরিবর্তন
করে লেখার
গুরুত্ব অপরিসীম।
নিচে এর
৪টি প্রধান
গুরুত্ব দেওয়া
হলো:
1.
শব্দভাণ্ডারের দক্ষতা
(Lexical Resource) প্রদর্শন: একই শব্দ বারবার ব্যবহার না করে সমার্থক শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে পরীক্ষককে নিজের উন্নত শব্দভাণ্ডার
সম্পর্কে ধারণা দেওয়া যায়।
2.
প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি রোধ: প্রশ্নের বাক্য হুবহু কপি না করে নিজের ভাষায় লিখলে উত্তরের মৌলিকতা বজায় থাকে, যা ভালো ব্যান্ডের জন্য আবশ্যক।
3.
লেখার সাবলীলতা ও স্পষ্টতা: প্যারাফ্রেজিংয়ের মাধ্যমে জটিল বাক্যকে সহজভাবে বা সহজ তথ্যকে আরও প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়।
4.
উচ্চ স্কোর নিশ্চিতকরণ: রাইটিং এবং স্পিকিং মডিউলে ভালো স্কোর পেতে হলে ভিন্ন ভিন্ন শব্দ ও বাক্যের গঠন (Grammatical Range) ব্যবহার করা অপরিহার্য।
সহজ কথায়, Paraphrasing হলো কোনো একটি কথা বা লেখার মূল অর্থ ঠিক রেখে সেটিকে নিজের ভাষায় ভিন্ন শব্দ বা ভিন্ন আঙ্গিকে উপস্থাপন করা। এটি হুবহু নকল (Copy-paste) করা নয়, বরং তথ্যের মূলভাব বজায় রেখে নতুনভাবে সাজানো।
প্যারাফ্রেজিং মূলত
তিনটি উপায়ে
করা যায়:
1.
Synonyms (সমার্থক শব্দ) ব্যবহার করে।
2.
Sentence
Structure (বাক্যের গঠন) পরিবর্তন করে।
3.Part
of Speech পরিবর্তন করে।
উদাহরণ
(Example)
ধরা যাক, আইইএলটিএস রাইটিং টাস্ক-২ এর একটি বাক্য:
Original Sentence:
"The government should provide free
health care to all citizens."
১. সমার্থক শব্দ ব্যবহার করে (Using Synonyms):
"The authorities ought to offer medical services to every inhabitant at no cost."
২. বাক্যের গঠন পরিবর্তন করে (Passive Voice):
"Free medical treatment
should be ensured for every member of society by the state."
৩. শব্দ এবং গঠন উভয়ই পরিবর্তন করে (Mixed Approach):
"It is the responsibility
of the administration to make medical assistance accessible to everyone without
any charges."
পার্থক্য লক্ষ্য করুন: উপরের সবকটি বাক্যের অর্থ এক, কিন্তু শব্দ এবং গঠন আলাদা। পরীক্ষায় ঠিক এই কৌশলটিই আপনাকে ভালো স্কোর পেতে সাহায্য করবে।
১. সমার্থক শব্দ ব্যবহার করে (Using Synonyms):
Exercise 1
Original: "Many people believe that money is the most important factor for
happiness."
Answer:
Exercise 2
Original: "The city is congested with too many private cars."
Answer:
Exercise 3
Original: "Teachers should encourage students to read more books."
Answer:
Exercise 4
Original: "Fast food consumption is increasing among young
children."
Answer:
Exercise 5
Original: "The government must find a solution to reduce pollution."
Answer:
৩. শব্দ এবং গঠন উভয়ই পরিবর্তন করে (Mixed Approach):
Exercise
1
- Original:
Many people believe that money is the most important factor for happiness.
- Answer:
Exercise
2
- Original:
The city is congested with too many private cars.
- Answer:
Exercise
3
- Original:
Teachers should encourage students to read more books.
- Answer:
Exercise
4
- Original:
Fast food consumption is increasing among young children.
- Answer:
Exercise
5
- Original:
The government must find a solution to reduce pollution.
- Answer:
Poverty is only reason
of crime .
মানুষ কেন অপরাধ করে, তা নিয়ে পৃথিবীতে অনেক বিতর্ক রয়েছে। যদিও অনেকে মনে করেন যে দারিদ্র্যই অপরাধের একমাত্র উৎস, তবুও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে এর পেছনে আরও অনেক জটিল কারণ লুকিয়ে থাকে।
দারিদ্র্যই অপরাধের মূল কারণ (পক্ষে যুক্তি)
১.
যেহেতু
দারিদ্র্য মানুষকে মৌলিক
চাহিদা
থেকে
বঞ্চিত
করে,
সেহেতু
অভাব
মেটাতে
মানুষ
অপরাধের পথে
পা
বাড়ায়।
২. যখন
সমাজে
চরম
অর্থনৈতিক বৈষম্য
দেখা
দেয়,
তখন
বিত্তহীনরা ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে
আইন
ভাঙতে
বাধ্য
হয়।
৩. যে
শিশুরা
শিক্ষার আলো
থেকে
বঞ্চিত
হয়ে
বড়
হয়,
তারা
সঠিক
দিকনির্দেশনা না
পেয়ে
সহজেই
অপরাধী
হয়ে
ওঠে।
৪.
যদি
কর্মসংস্থানের সুযোগ
না
থাকে,
তবে
বেকার
যুবসমাজ অর্থ
উপার্জনের নেশায়
অবৈধ
পথে
ধাবিত
হয়।
৫.
ক্ষুধার তাড়না
যখন
মানুষের বিচারবুদ্ধিকে হার
মানায়,
তখন
তার
পক্ষে
নৈতিকতা বজায়
রাখা
অসম্ভব
হয়ে
পড়ে।
দারিদ্র্যই অপরাধের একমাত্র কারণ নয় (বিপক্ষে যুক্তি)
১. যদিও দারিদ্র্য একটি প্রভাবক, তবুও মানুষের ব্যক্তিগত লোভ ও অনৈতিক লালসা অপরাধের প্রধান চালিকাশক্তি।
২. যেহেতু উচ্চবিত্তরা
স্বচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও দুর্নীতি করে, তাই বলা যায় অপরাধের কারণ কেবল অভাব নয়।
৩. এমন অনেক অভাবী মানুষ আছেন যারা শত কষ্টে থাকলেও সততা বিসর্জন দেন না, যা নৈতিকতার গুরুত্ব প্রমাণ করে।
৪. যদি পারিবারিক অনুশাসন ও সুশিক্ষার অভাব থাকে, তবে সচ্ছল পরিবারের সন্তানও অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়ে।
৫. যেখানে আইনের শাসন দুর্বল থাকে, সেখানে দারিদ্র্য থাকুক বা না থাকুক, অপরাধের হার বৃদ্ধি পায়।
পরিশেষে বলা যায় যে, যদিও দারিদ্র্য অপরাধের হার বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে, তবুও একেই একমাত্র কারণ বলা ঠিক হবে না।
যদি আমরা সমাজ থেকে অপরাধ কমাতে চাই, তবে অভাব দূর করার পাশাপাশি মানুষের নৈতিক শিক্ষা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করাও সমানভাবে জরুরি।


No comments:
Post a Comment